অনপেইজ ফ্যাক্টর্স (ডিরেক্ট)

কোন কোন ফ্যাক্টর গুগল খুব ক্লোসলি ফলো করে বা দেখে। অনপেজে ডিরেক্ট কোনগুলো যেগেুলোকে গুগল অনেক বেশি প্রাধান্য দেয়। 

টাইটেল ট্যাগ

গুগলের বট যখন কোনো পেইজে যায় তখন প্রথমেই টাইটেল ফলেঅ করে। দেখে যে টাইটেলের মধ্যে কিওয়ার্ডটা আছে কীনা। মেইন কিওয়ার্ড টাইটেলে থাকলে ওয়েবসাইট র‌্যাং করবে। 

কিন্তু গুগলে সার্চ করলাম get rid of oily skin. কিন্তু গুগল র‌্যাংক দিয়েছে 10 home remedies for oily skin. দুইটা সিমিলার টাইপের কনসেপ্ট। কিন্তু দুটার মধ্যে পার্থ্ক্য রয়েছে। get rid of  টা হতে পারে remedies হতে পারে medicine , হতে পারে কেমিকেল, হতে পারে হার্বাল। 

কিন্তু সার্চে দেখা যাচ্ছে home remedies. তার মানে বাসায় নিজে নিজে তৈরি করা কিছু।  এর কারণ হলো get rid of oily skin কিওয়ার্ড দিয়ে হয়তো ভাল ওয়েবসাইট নাই। তাই িএমন হচ্ছে। 

আরেকটা দেখাচ্ছে how to stop oily skin on face. ফার্স্ট পেইজে অবশ্য একটা দেখাচ্ছে রেজাল্ট কিওয়ার্ডের সঙ্গে মিলিয়ে। তার মানে টাইটেলের মধ্যে মেইন কিওয়ার্ড  থাকতেই হবে।  এটা আমাদের কনফার্ম করতেই হবে। 

গুগল সার্চে যে টাইটেলগুলো দেখতে পাচ্ছি সেগুলোই টাইটেল ট্যাগ। টাইটেলের মধ্যে আবার মেইন কিওয়ার্ড যত তাড়াতাড়ি শুরু হবে গুগল তত বেশি প্রাধান্য দেবে। যদিও গুগল র‌্যাংক দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। 


প্রত্যেকটা রেজাল্টের পরই দেখেন সাইটের নাম চলে আসছে। এভাবে সাইটের নাম চলে আসার মেইন কারণ হলো ব্র্যান্ডিং। 

ব্র্যান্ডিং নিজে একটা র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর। কি পরিমাণ মানুষ আসলে আপনার ব্র্যান্ড নেম  সার্চ করে আপনার ওয়েবসাডিটে অঅসছে ডিরেক্ট কত ট্রাফিক আপনার ওয়েবসেইটে আসছে সেটাও এক ধরনের র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর। 

টাইটেল ট্্যাগের লিমিট: টা্েটেল ট্্যাগের লিমিট বলতে আমরা  যে হেডিং প্লেস করলাম সেটার টোটাল ক্যারেক্টর লিমিট কত। ৭০ অক্ষরের উপরে এটা হওয়া ঠিক হবে না। টোল টেক্সটটা যেন কোনোভাবেই ৭০ ক্যারেক্টারের ওপর না হয়। 

এখন প্রশ্ন হলো ৭০ অক্ষরের বেশি হলে কি হয়? দেখেন ৭০ অক্ষরের মধ্যে হলো সার্চ রেজাল্ট পেজে পূর্ণ ফর্মেই দেখায়। না হলে ডট ডট চলে আসে। ৬০ অক্ষরের মধ্যে হলো সবচেয়ে ভাল হয়। 

৬০ অক্ষরে হেডিং দিলেও অনেক সময় ডট ডট চলে আসে। লেখা যদি বড় হাতে হয় অথবা আপার কেস লোয়ার কেস হয় তাহলে ডট ডট (...) চলে আসে। 

এর কারণ হলো Pixel. কারণ এই স্পেসিংটা নিচ্ছে সেটির অঅবার একটা লেংথ আছে। 

এ অবস্থায় বলা হচ্ছে আমি যখন ৬০ অক্ষরে হেডিং লিখবো সেটি যেন কখনোই ৫১২ পিক্সেলের বেশি না হয়। পিক্সেলটা মাপব বা বুঝব কীভাবে?

কিছু জিনিস অ্যাভয়েড করব: ডট ডট ডট অ্যাভয়েড করব আর ওভার অপটিমাইজেশনও অ্যাভয়েড করব। দুটা কিওয়ার্ড একটা টাইটেলে ব্যবহার করব না। দরকার নাই। 


৬০ অক্ষরের হেডিং আর ৫১২ পিক্সেলের সাথে ওভার অপটিমাইজেশন সম্পর্কযুক্ত। 

যদি দুটা কিওয়ার্ড ব্যবহার করতেই হয় তাহলে টআইটেলে ইউযজ করব আর মেটা ডেসক্রিপশনে আরেকটা করব। অথবা সেকেন্ড কিওয়ার্ডটা কোনো একটা সাব হেডে দিয়ে দিবো।  

একটা টুল আছে  যেটা দিয়ে ডেস্কটপের জন্য কত পিক্সেল অআবর মোবাইলের জন্য কত পিক্সেল সেসবও দেখায়। 

আমরা যখন কোনো টাইটেল লিখব সেটি জন্য ডেস্কটপ ও মোবাইল উভয়ের জন্যই ফ্রেন্ডলি হয়। নিচের ছবি দেখুন তাহলেই বুঝতে পারবেন কত ক্যারেক্টার বা কত পিক্সেল এটা বের করা কি সহজ। 

এছাড়া আরেকটা টুল আছে যেটা দিয়ে হেডিং পরিমাপ করতে পারেন। 


টাইটেল আইডিয়া জেনারেটর
অর্থাৎ টািইটেল কীভাবে করা যায়। কোনো কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে প্রথম পেইজে আমাদের প্রতিযোগী যারা আছেন তাদের হেডিং দেকে একটা আইডিয়া নিতে পারি। এছাড়া অনেকগুলো টুল আছে দেখে নিতে পারেন।
Hubspot, Sumo এবং Answer the public. এছাড়া কিওযার্ড দিয়ে গুগলে সার্চ করলে প্রতিযোগীদের হেডিং দেখে আইডিয়া নেওয়া যায়।

যদি কিওয়ার্ড বোঝেন, কনটেন্ট বোঝেন তাহলে কোনো টুল লাগবে না। জাস্ট হেল্পিং হিসেবে লাগতে পারে। 

ওয়ার্ডপ্রেসে এইচটিএমএল (মেটা ডেসস্ক্রিপশন ও টািইটেল) ট্যাগ আমরা কীভাবে প্লেস করব? এজন্য উচিত হবে একটা প্লাগইন ইউজ করা এবং সারাবিশ্বেই এই প্লাগইনটা অন্য লেভেলে চলছে। ফ্রিতে অনেক ফিচার দেয়। আমরা একটা প্লাগইন নামাবো যেটার নাম Yoast SEO. 


এই প্লাগইন থাকলেই এসইও এর কাজ অলমোস্ট ৫০ পার্সেন্ট কমে যাবে। ট্যাগগুলো বসানো নিয়ে আর কোনো টেনশন থাকবে না। 

এটা প্রিমিয়াম অ্যাক্সেস অনেক বেশি আছে। কিন্তু অনেক কস্টলি একটা সাইটের জন্য। কিন্তু ফ্রিতেও খারাপ না। ভালো রেজাল্ট দেয়। 

এই প্লাগইন ইনস্টল করার পোস্টে গেলে এমনটা দেখবেন-

খেয়াল করুন পাঠযোগ্যতা ঠিক থাকলে সবুজ বৃত্ত ঠিক না থাকলে লালবৃত্ত। শুধু সেনটেন্স লেংথে বেশি প্রবলেম আছে। সেনটেন্স লেংথ অনেক বড় বড়। এটাকে কমাতে বলেছে। 

এবার এসইওতে ক্লি করে দেখি-

Yoast SEO এর ডিটেইলস আমরা পরের ক্লাসে শিখব।