কিওয়ার্ড দিয়ে কনটেন্টকে মডিফাই করা। 

টাইটেলে মডিফায়ার ইউজ করতে হবে। এটা করলে মানুষ পোস্টের সঙ্গে এনগেজড হয়। 


মডিফায়ার ইউজ করে বানানো টাইটেলগুলো দেখেন-

আপডেট সাল দিলে মানুষ মনে করে আপডেট ইনফরমেশন। তাহলে এটাতে ঢুকি। 

প্রথম ১০০ শব্দেই কিওয়ার্ড ব্যবহার

প্রথম ১০০ শব্দে মধ্যেই মেইন কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে মেইন কিওয়ার্ড দিয়ে টাইটেল বানাতে হবে। তারপরে প্রথম বা দ্বিতীয় প্যারায় (১০০ শব্দের মধ্যে) মেইন কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। 

আউবাউন্ড লিংকস (ওবিএল)
আউটবাউন্ড লিংক হলো আমি অন্য কাউকে ব্যাকলিংক দিচ্ছি। অর্থাৎ আমার সাইট থেকে লিংক বের হয়ে যাচ্ছে। অন্য সাইটের লিংক দিয়ে লেখা কনটেন্ট। 

আউবাউন্ড লিংক কয়টা থাকবে বা কি ধরনের ওয়েবসাইটের কনটেন্ট আউটবাউন্ড লিংক করব সেটাও মাথায় রাখতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ‘অথরিটি সাইটকে’ দিতে হবে। 

আপনি উইকিপিডিয়াকে দিতে পারেন। হেলথ নিয়ে কাজ করলে হেলথ রিলেটেডে অথরিটি সাইট যেমন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটকে আউটবাউন্ড লিংক করতে পারেন। 

এটা এসইও প্র্যাকটিসের মধ্যেই পড়ে। আউটবাউন্ড সাইট তো বেনিফিট পাচ্ছে আপনিও বেনিফিট পাবেন। তাই আউটবাউন্ড লিংক ইউজ করতে হবে। একটা আর্টিকেলে তিনটার বেশি আউটবাউন্ড লিংক ব্যবহার করবেন না। 

এলএসআই কিওয়ার্ড

আর্টিকেলের মধ্যে কিওয়ার্ডের যত ভেরিয়েশন আনতে পারি আনবো। এক্ষেত্রে এলএসআই ভার্সনটা সম্পর্কে জেনে নিবো। 

লং কনটেন্ট
লং কনটেন্টে বেনিফিটি বেশি পাওয়া যাবে। তবে সেটি কোয়ালিটি সম্পন্ন হতে হবে। 

কনটেন্ট সিলো

একটা কনটেন্টের সাথে আরেকটা কনটেন্টের রিলেশনটা যেন ভাল হয়। ইন্টারনাল লিংকিংটাই ভালভাবে করা। 

ধরেন যদি আমরা গাইড অংশে কোনো আর্টিকেল লিখি তাহলে সেটি যেন গাইড রিলেটেডই হয় সেটি মাথায় রাখতে হবে। আবার হাউ টু অংশের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। 

আমরা কখনোই হাউটু কনটেন্ট গাইডের মধ্যে ফেলব না বা গাইডের কনটেন্ট হাউ টুর মধ্যে ফেলব না।