গুগলের সার্চ রেজাল্টে ইমেজ যে সেগমেন্টটা সেটারও কিন্তু এসইও করতে হবে আপনাকে। 


কিওয়ার্ড দিয়ে যদি পেজ র‌্যাংক না করে ইমেজও র‌্যাংক করেন তাহলেও আপনি ট্রাফিক পাবেন। 

ইমেজ কোনো আগে-পরে আসলো? এখানেই রয়েছে র‌্যাংকিংয়ের ব্যাপার-স্যাপার। এজন্যই এটাকে আমরা বলছি ইমেজ অপটিমাইজেশন। 
প্রত্যেকটা আর্টিকেলে যখন ইমেজ প্লেস করব সেই ইমেজগুলোর মধ্যে যেন Alternative text অ্যাড করা থাকে। এটা কীভাবে অ্যাড করে আমরা পরে দেখবো। 

রাইট ক্লিক করে যদি আমরা Inspect অংশে যাই তাহলে 
                                           
অল্টার টেক্সট এবং টাইটেল দেখেন। যদিও দুইটা একই রকম হবে না। আলাদা হবে। এছাড়া কোনো ড্যাশ থাকবে না। এরা ভুল করেছে। প্লেইন যেভাবে আমরা লিখি সেভাবেই হবে। ড্যাশ (-) হবে না। 

তার মানে আমরা যখন ইমেজ আপলোড করব তখন অবশ্যই ইমেজের মধ্যে অল্টার টেক্সট দিতে হবে। এছাড়া টাইটেল দিতে হবে। 

ওয়ার্ডপ্রেসে পোস্টে গিয়ে ইমেজ আপলোড করুন। 
তারপর দেখুন অল্টার টেক্সট বা হেডিং ডিফল্টভাবে দেওয়াই আছে। Alt text দিয়েই গুগল ইমেজ পড়ে। আপনি যদি এটাই খালি রাখেন অথবা খালি রাখেননি কিন্তু কোনো কিওয়ার্ড ব্যবহার করেননি তাহলে গুগল কীভাবে বুঝবে এটা কি টাইপের ইমেজ। 

যতটা প্রাসঙ্গিকতা মেইনটেইন করা যায়। আর Alt text এ সব সময় কিওয়ার্ডই দিতে হবে  এমন নয়। এখানে মেইন কিওয়ার্ড দিতে পারেন, এলএসআই দিতে পারেন। 

কারণ আপনি ধরেন একটা কনটেন্টে ৪/৫টা ইমেজ আপলোড করবেন। মেইন কিওয়ার্ড তো এতগুলো ইমেজে দেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনা করে লিখবেন। 

টাইটেল ইমেজ রিনেম করে যেটা ফাইলনেম দেওয়া হয় সেটাই ডিফল্টভাবে নিয়ে নেয়। কিছু করতে হয় না। ফাইল রিনেম করে নিতে হবে। এখানেও কিছু কাজ আছে। ইমেজ রিনেম করতে হবে প্রতিটি শব্দের মাঝে ড্যাশ (-) ব্যবহার করতে হবে। 

অন্য মাল্টিমিডিয়া ফাইলস
যদি আমরা কখনো ভিডিও যোগ করতে চাই বা পিডিএফ ফাইল যোগ করতে চাই তাহলে ওয়েবসাইটের হোস্টিং যদি ভালো হয়, সার্ভার যদি ভালো হয় তাহলে ভিডিও আপলোড করতে পারেন। তবে সেটাও অপটিমাইজড ওয়েতে। আর যদি থার্ড পার্টি ভিডিও থাকে তাহলে লিংক এমবেড করে দিতে পারেন।