Hosting
Types of Hosting | হোস্টিং এর প্রকারভেদ
হোস্টিংয়ের অনৈকগুলো ধরন হয়। যেমন শেয়ার্ড হোস্টিং, ডেডিকেটেড হোস্টিং এমন মাল্টিপল হোস্টিং হয়।
মাথায় রাখবেন হোস্টিং মানে কোনো এক কম্পিউটার। মাল্টিপল টাইপের হার্ড ড্রাইভ প্লেস করা আছে, মাল্টিপল টািইপের কম্পিউটার প্লেস করা আছে। যেখান থেকে আসলে ডাটাগুলো টান দেওয়া হচ্ছে। এটা ইন্টারেনেটের সাথে কানেক্টেড আর ওই সেন্টারগুলোই আসলে প্রোভাইড করছে।
শেয়ার্ড হোস্টিং
ওদের একটা পিসিতে ধরেন ১০০ এমবির একটা ডাটা স্টোর করা থাকে। ওই খানে হয়তো সে ২০০/৪০০ সাবস্ক্রাইবারকে লিংক করে। কাজেই আমরা বলছিলাম আইএসপি নিয়ে। আমরা যখন ব্রডব্যান্ড ইউজ করি তখন একটা সেন্টারে অথবা একটা কম্পিউটারে ১০০ এমপি বা ২০০ এমবির একটা ডাটা থাকে। ওখানে সে ১০০ হোক ২০০ হোক বা ১০০০ হোক সাবস্ক্রাইবার অ্যাড করে।
যতবেশি সাবস্ক্রাইবার অ্যাড হবে তত ওই ডাটাটাের সেগমেন্টেশন কিন্তু ততোই কমতে থাকবে। তার মানে আপনি যদি এখন ২ এমবি পান তাহলে ওিই ডাটাই কিন্তু পরে যখন সাবস্ক্রাইবার বাড়বে তখন কম পেতে থাাকবেন। ব্যাপার এ রকম। এটাই শেয়ার্ড হোস্টিং।
আপনারা অঅশা করি এটাও খেয়াল করেছেন দিনের ইন্টারনেট স্পিড অনেক বেশি কিন্তু রাতের বেলা স্পিড অনেক কমে যায়। তার কারণ ইউজেস। রাতে ইউজার বেশি। সবাই অফিস থেকে এসে ইন্টাারনেট ইউজ করছে। সবাই ডাটা টান দিচ্ছে এবং যেহেতু এটা ইকুয়ালি ডিস্ট্রিবিউটেড না কমিট করা হয়েছে যে আপনি ২ এমপি বা ৩ এমপি পাবেন একচুয়ালি আপনি পাবেন না রাতে।
আপনি ৫১২ কেবি পাবেন বা ১ এমপি পাবেন কিন্তু এর চেয়ে বেশি পাওয়ার কোন চা্ন্সই নাই। কারণ ওটা শেয়ার্ড।
শেয়ার্ড হোস্ট্ঙিৃয়ের ক্ষেত্রেও এই জিনিসটাই হচ্ছে। একটা ডাটা সেন্টারে অঅপনার মতো মাল্টিপল ইউজারকে প্লেস করা হচ্ছে। েএবং এখানে বলা হচ্ছে যে আপনি ২০ জিবি এসএসডি পাচ্ছেন এবং ২০ জিবি এসএসডি হোস্টিংয়ে ২০০ ওয়েবসািইট অ্যাড হয় তাহলের আপনি কিন্তু বুঝছেন না।
আপনি হয়তো এখন ট্রাফিক যে লোডটা নিচ্ছে আপনি হয়তো স্মুথলি সার্ভ করতে পারছেন। কিন্তু যেসময় সবগুলো ওয়েবসাইটে ট্রাফিক লোড নিবে তখন অঅপনার সাইট ডাউন হওয়ার একটা চান্স অোছে। এগুলোই শেয়ার্ড হোস্টিং।
আমরা শেয়ার্ড হোস্টিংয়ের প্রািইস তাই কমে পাই।
ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভিস (ভিপিএস)
ভার্চুয়াল বিভিন্ন মেশিন তৈরি করা হয়েছে। ভার্চুয়াল মেশিন হলো মূলত কিনি হচ্ছে ডিজিটাল ওশান অথবা ভাল্টার প্রভৃতি ওয়েবসাইট থেকে। ভিপিএস কিনে মেশিন তৈরি করের নিতে হয়।
ভিপিএস হচ্ছে একটা ডাটা যেটি কিনে ভার্জচুয়াল মেশিন তৈরি করে নিবেন। ধরেন আপনি নরমাল ইউজার আপনি হোস্টিং সম্পর্কে কোনো আ্ডডিয়ািই রাখেন না তারপরও পারবেন।
শেয়ার্ড েহামিস্টংয়ে খুব সহজেই আপনি একটা সি-প্যানেল পাচ্ছেন ম্যানেজ করার জন্য।কিন্তু ভিপিএসে কোনো সি-প্যানেল নাই যেটা র কোডে অথবা প্রোগ্রামিং অথবা ফিড দিয়ে এগুলো রান করা হয়। যদিও এগুলোর আবার ভিপিএস ইউজ করার জন্য থার্ড পার্টি সফটওয়্যার পাবেন।
যেমন ধরেন ডিরেক্ট অ্যাডমিন দিয়ে ভিপিএস ম্যানেজ করা যায়। কিন্তু এতে ভিপিএস কিনতে হবে আবার ডিরেক্ট অ্যাডমিনেরও প্রাইস দিতে হবে।
কিন্তু ভিপিএসের সুবিধা বেশি।
আর যদি সি-প্যানেল লাগেই তাহলে ডিরেক্ট অ্যাডমিন থেকে কিনতে হবে। প্লানগুলো দেখুন।
সি-প্যানেল কেনার পরে এটা সাথে সেন্টস (সার্ভারের সফটওয়্যার) এর সাথে ইনস্টল করে দিলে তখন ওইটা সিপ্যানেল হয় এটা (উপরের দুই ডলারের প্ল্যান)।
এছাড়া আরও মাল্টিপল সি-প্যানেল আছে। যেমন সার্ভার পাইলট। এটাও আলাদা একটা সফটওয়্যার যেটা মান্থলি চার্জ আছে এবং এটাও ভিপিএসকে সাপোর্ট দেয় সি-প্যানেল হিসেবে।
কাজেই আপনি এখন যদি ভিপিএসে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে পোর্ট লেভেলে স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করতে হবে। আর যদি আপনি এক্সট্রা খরচ করতে চান তাহলে ডিরেক্ট অ্যাডমিন অথবা সার্ভার পাইলট ইউজ করতে হবে।
ম্যানেজড ওয়েব হোস্টিং
এটি জাস্ট প্লাটফর্মভিত্তিক। যেমন এখানে বলে দিচ্ছে যে ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং।
ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট করতে গেলে ওয়োর্ডপ্রেস হোস্টিং নিলে সুবিধা বেশি। যদিও এই টাইপের হোস্টিংয়ের প্রাইস একটু বেশি।
ক্লাউড হোস্টিং
সম্প্রতি আলীবাবা ক্লাউড হোস্টিং সেল করছে।তারপর গুগলও ক্লাউট হোস্টিং সেল করছে।
এগুলোও আসলে সার্ভার বানিয়ে নিয়ে তারপর কাজ করতে হবে। কিন্তু খুব বেশি প্রাইস তাই বড় বড় ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে এগুলো ব্যবহার করা হবে।
ডেডিকেটেড হোস্টিং
এটি বিক্রি করে অ্যামাজন এডব্লিউএস । বিশ্বে যত বড় বড় ওয়েবসািইট আাছে যাদের ম্যাসিভ লেভেলের ট্রাফিক তারা এই টাইপের সার্ভিসটা নিয়ে থাকে। একদম ডেডিকেটেড সার্ভিস।
এগুলো ডেভেলপররা সেটআপ করে থাকে।
আমরা কি দিয়ে স্টাট্ট করব? আমরা স্টার্ট করব একচুয়ালি শেয়ার্ডেোহাসি্ংয় িদিয়ে। িএই মুহূর্তে। কবারণ এখানে ইনভেস্টমেন্টের একটা ব্যাপর আছে। টেস্টিংয়ের একটা ব্যাপার আছে, আপনি কেমন করছেন সেটার একটা ব্যাপার অছে।
কিন্তু িএকটা বিষয় একটু মাথায় রাখবেন যদি রিয়েল বিজনেস করতে চান তাহলে বিনিয়োগ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ আপনি একটা সাইট করবেন, কনটেন্ট দিচ্চেন এবং আপনার সাইট লোড নিচ্ছে না অথবা সাইটের লোডিং স্পিড অনেক বেশি (অনেক সময় নিয়ে লোড নেওয়া) সেক্ষেত্রে কিন্তু র্যাংকিং ফল করবে।
এজন্য নেমচিপ দিয়ে স্টার্ট করতে পারেন কিন্তু সাইট গ্রাউন্ড সবচেয়ে ভালো। সাইটগ্রাউন্ড মানথলি পেমেন্ট নেয় না। কাজেই আপনার কাছে এক বছরের পেমেন্টের টাকা থাকতে হবে।
সাইটগ্রান্ডের হোস্টিং ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের জন্য খুবই ভালো। এদের আপটাইম খুব বেশি প্রবলেম হয়না। তাই শুরুটা এটা দিয়ে করলেই ভাল হবে। কারণ লোডিং স্পিড একটা বড় ইমপ্যাক্ট রাখে মার্কেটে।








