লাখ লাখ ওয়েবসাইটের মধ্যে আমাকে প্রথমটা ১০টা রেজাল্টের মধ্যে থাকতে হবে। কিন্তু তবে সিমিলার বিষয় নিয়ে কাজ করলেও সবাই আমার কম্পিটিটর না এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে।  তারপরও কখনো যদি মনে হয় কম্পিটিটর ওয়েবসাইট খুঁজে  বের করা প্রয়োজন তাহলে কিছু জিনিস এখানে দেখাব। 

কিওয়ার্ডের উপর বেইজ করে কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস হবে। কোনো কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে প্রথম পেইজে যারা থাকে তারাই আমরা কম্পিটিটর। 
ধরেন যদি এহার্ফস এ কেডি সার্চ করি তাহলে দেখব এটা ফোরটি। তার মানে তার মানে আপনার মনে হতে পারে যে ১০০ এর মধ্যে ১৪ মানে খুব দ্রুত র‌্যাং করতে পারব। খুবই লো কম্পিটিটিভ একটা কিওয়ার্ড যেটা ব্যবহার করলে র‌্যাংক পাবেনই। 


তবে একটা টুল কনফার্ম করলেই কিন্তু কনফার্ম বলা যাচ্ছে না। এই কিওয়ার্ডের জন্য যদি ১৬টা ব্যাকলিংক ম্যানেজ করতে পারি তাহলে প্রথম পেইজে রেজাল্টের মধ্যে ঢুকতে পারব।  

আবার যদি সেমরাশ ইউজ কররি তাহলে সেটি আরেক ধরনের আইডিয়া দেবে। আমরা এখানে একই কিওয়ার্ডেরি ডিফিকাল্টি দেখছি। নিচের ছবি দেখুন। 

তার মানে এখানে দেখাচ্ছে অনেক টাফ একটা কিওয়ার্ড। ১০০ এর মধ্যে ৭৫। কেডি যদি ৩০ এর নিচে হয় তাহলে বেটার।সেমরাশ সবচেয়ে ভাল রেজাল্ট দেয়। তার পর কিওয়ার্ড ফাইন্ডার। 

আবার যদি কিওয়ার্ড  ফাইন্ডার দিয়ে দেখি তাহলে দেখব ২৬। অর্থাৎ ৩০ এর নিচেই আছে। 

তার মানে দুইটা টুলে হ্যা বলছে আরেকটাতে একটু কম্পিটিটিভ বলছে। 

আমরা টুল দিয়ে আইডিয়া নিতে পারি। কিন্তু আরও কনফার্ম হতে চাইলে ম্যানুয়াল ওয়ার্ক করতে হবে। ম্যানুয়াল ওয়ার্ক খুব ঝামেলার মনে হলেও আপনি কনফার্ম করতে পারবেন যে এই কিওয়ার্ড দিয়ে কতদিনের কনফার্ম করতে পারবেন। 

কেজিআর ফর্মুলা
অল  ইন টাইটেল হলো কোনো কম্পিটিটরের টাইটেলের মধ্যে মেইন কিওয়ার্ড আছে কীনা সেটাই অল ইন টাইটেল। কিন্তু এটা কীভাবে হিসাব করা হয়? আমরা যদি হিসাব করি তাহলে দেখেন নিচের ছবিতে সার্চ ভলিউম কত? ২১০।কিন্তু রেজাল্ট দু্ই মিলিয়ন। 

কিন্তু অল ইন টাইটেল দিয়ে সার্চ করলে রেজাল্ট্ আসছে দুই মিলিয়নের জায়গায় ১০৯টা। 



টাইটেলের মধ্যে মেইন কিওয়ার্ড থাকাটা গুগলের চোকে পজিটিভ। এটি দ্রুত র‌্যাংক করে গুগল। গুগলের যে ২০০ র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর আছে তার মধ্যে এটি অন্যতম প্রধান। 
এটা কি পজিটিভ না নেগেটিভ। েএটা বুঝতে হলে একটা মেথড আছে যেটাকে কেডিআর (কিওয়ার্ড গোল্ডেন রেশিও) মেথড বলে। এটা একটা মান আছে। এই ফর্মুল খুবই লো কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ডের উপরে জোর দেয়। 

মান ২৫ বা ২৫ এর নিচে হলে সেটি দ্রুত র‌্যাংক করা যায়। তবে তাতে কত সময় লাগে? কনটেন্ট ভাল হলে কোনো ব্যাকলিংক ছাড়াই এ ওয়েবসাইটগুলো দ্রুত র‌্যাংক পেয়ে যাবে। 

যেসমস্ত কিওয়ার্ডে সার্চ ভলিউম  ২৫০  এর নিচে তার ওপর ভিত্তি করে কেজিআর হিসাব করা হয়। এখন অঅসি কেজিআর ফলো করব কী করব না। কেজিআর অলয়েজ নট এ গুড ডিসিশন। আপনি এটা একজন মার্কেটার আবিস্কার করেরছে। আপনি যদি এটাপকে বিশ্বাস করে যদি সব কিওয়পার্ড কেজিআর রুলে কাজ করেন তাহলে হবে না। 
তবে অনেকেই শুধু কেজিআরের ওপর বেইজ করে কাজ করছে। এটা সহজও। 
সবশেষে কেজিআর একটা সাকসেসফুল আইডিয়া। তবে আমরা শুধু এটির উপর নির্ভর করব না।